নির্বাচিত কলামব্রেকিংসম্পাদকীয়

যিনি জন্মেছিলেন তেলাওয়াতের জন্য

প্রখ্যাত কারী মাওলানা ওবায়দুল্লাহর মৃত্যুসংবাদটি বেশ ক’ঘণ্টা বিলম্বেই পেয়েছি। আমাদের সময়ের এই বর্ণাঢ্য মানুষটিকে খুব কাছে থেকে জেনেছি। নানাভাবে সান্নিধ্য পেয়েছি। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের শিল্প-সৌন্দর্য ও নান্দনিকতার যে রূপ, সেটা আমরা পেয়েছি তার কণ্ঠ থেকে। তার আবেগ ঝরানো এবং মাধুর্য ছড়ানো তিলাওয়াত তাকে কিংবদন্তির স্তরে নিয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই কারী ব্যক্তিত্ব একজন প্রথম সারির খতিবও ছিলেন। তবে সে পরিচিতি ছাপিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন প্রবাদতুল্য এক তিলাওয়াতশিল্পী। ‘কারী’, ‘খতিব’, শায়খুল হাদিস’- এসব শব্দ গুণবাচক। কিন্তু কারো কারো বেলায় এটি নামের অংশ হয়ে যায়। এটি হয়ে যায় এক ধরনের ব্র্যান্ড। যেমন- যারা খুতবা দেন, বক্তব্য রাখেন তারা খতিব। কিন্তু জাতীয় মসজিদের খতিব মরহুম মাওলানা উবায়দুল হক ছাড়া অন্যদের নামের সাথে খতিব যেন তার মতো ব্র্যান্ড হয়ে আসে না। হাদিসবেত্তা এবং এর শিক্ষক বা ওস্তাদই শায়খুল হাদিস। কিন্তু আল্লামা মাওলানা আজীজুল হক মরহুমের নামের সাথেই যেন শব্দটি যুৎসই হয়ে লেপ্টে থাকে। মানানসইও। একইভাবে ‘কারী’ শব্দটি যেন মরহুম ওবায়দুল্লাহর সাথেই মানায়। তিনি যেন জন্মেছিলেন তিলাওয়াতের জন্য। কখনো কোনো বিতর্কে তাকে দেখিনি। তিনি কারো প্রতিপক্ষ- এটা যেন ভাবনার অতীত। মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন মানোত্তীর্ণ এবং জাতি-ধর্মের ঊর্ধ্বে, একজন হৃদয়বান ধার্মিক ও অসাম্প্রদায়িক ব্যক্তিত্ব। আলেম হিসেবে তিনি এই দেশের আর দশজন সত্যনিষ্ঠ আলেমেরই ধারা অনুসরণ করেছেন।
ভালোভাবে জানি, কারী সাহেব হাফেজ্জী হুজুরের স্নেহধন্য, শায়খুল হাদিসের পুত্রতুল্য ছিলেন। অনেকেই জানেন না, তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মনে ঠাঁই পেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমানের অনেক কাছের মানুষ ছিলেন তিনি। অমায়িক ও বিনয়ী এ মানুষটি যেন পবিত্র কুরআনের অলৌকিক জ্যোতির্ময়তার গুণে এবং মহিমায় সব সময় হাস্যোজ্জ্বল ও স্বতঃস্ফূর্ত থাকতেন। আনমনে তিলাওয়াত করতেন, জিকির করতেন। আমাদের অনুরোধে একবার গজল পরিবেশন করে আসর জমিয়ে তুলেছিলেন। তার এই প্রতিভা অনেকের কাছে অজানাই ছিল।
তাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বারবার মনে পড়ছে একটি রাজনৈতিক ঘটনা। তখন জাতীয় সংসদ চলছিল। দেশের প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবদুস সাত্তার। সংসদ অধিবেশন চলছিল পুরনো সংসদ ভবনে। তেজগাঁও পুরনো বিমানবন্দর লাগোয়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হিসেবে সেটি এখন পরিচিত। শিক্ষানীতির ওপর একটি বিল পাস হওয়ার কথা ছিল। সংসদ নেতা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শাহ আজীজুর রহমান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্ট চুকিয়ে তখন আমরা আইনের ছাত্র। লে. জেনারেল এইচ এম এরশাদ তখন সেনাপ্রধান। সেনাবাহিনীর ক্ষমতার অংশীদারিত্ব নিয়ে সাপ্তাহিক বিচিত্রায় একটা অভিমতধর্মী বক্তব্য তুলে ধরলেন তিনি। জিয়া-উত্তর রাজনীতিতে এরশাদের পদার্পণের গুজব ছিল সর্বত্র। সেদিন সংসদ অধিবেশনের সময় দর্শক গ্যালারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়পড়–য়া আমরা কয়েকজন ছাত্র উপস্থিত ছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল- শিক্ষা বিল পাস হওয়ার সময় আমরা একসাথে আপত্তি তুলব। সেদিন বিলটা উঠল না। অধিবেশনের শুরুতে রীতিসিদ্ধ পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করেছিলেন কারী ওবায়দুল্লাহ। অধিবেশনের চা-বিরতিতে লবিতে গিয়ে বসলেন সংসদনেতা শাহ আজীজুর রহমান, পাইপ ধরিয়ে যেই না সুখটান দিলেন, অমনি সাংবাদিকেরা গিয়ে তাকে ঘিরে ধরলেন। তার শরীর ছিল ইজি চেয়ারে হেলে পড়া। সম্ভবত প্রখ্যাত সাংবাদিক নাজিম উদ্দীন মোস্তান প্রশ্ন করলেন- স্যার, সবাই বলাবলি করছে, এরশাদ সাহেব ক্ষমতা দখল করবেন। শাহ আজীজ কোনো দ্বিধা-সঙ্কোচ কিংবা অপেক্ষা না করেই জবাব দিলেন- হ্যাঁ, আজ কারী ওবায়দুল্লাহ সাহেব কুরআন তিলাওয়াতের সময়ও তো বললেন- ‘এরশাদ হচ্ছে’। আমরা সবাই হেসে উঠলাম। শাহ আজীজ সাংবাদিকদের এড়াতে বললেন, ‘আজ আর না’। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত শেষে বাংলায় অনুবাদ করা হতো। এই অনুবাদের শুরুতে ‘এরশাদ হচ্ছে’- বলা একটা রেওয়াজ।
আজ কারী সাহেব নেই। স্মৃতিগুলো ভিড় করছে। ছাত্র মিশন নামে আমরা একটা মিশনারি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। সে সময় আমাদের ‘ঢাকাইয়া’ বন্ধুরা মিলে ইয়ং মুসলিম সোসাইটি নামে প্রতিষ্ঠিত একটি যুবসংগঠনেও সক্রিয় ছিল। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের আব্বা সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন এর অন্যতম পৃষ্ঠপোষক। দু’টি সংগঠনেরই অফিস ছিল কাজী আলাউদ্দিন রোডে। দিনশেষে একবার অফিসে হাজিরা দিতাম। মাঝে মধ্যে ঢুঁ মারতাম চকবাজারে। লোভ ছিল কারী ওবায়দুল্লাহর তিলাওয়াত শোনার। বিশিষ্ট এই আলেমে দ্বীন জন্ম নিয়েছিলেন চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়ায়। ১৯৪৪ সালের পয়লা জানুয়ারি তার জন্মদিন। ইন্তেকাল করলেন ২০১৬ সালের ২১ ডিসেম্বর। মরহুমের আব্বাও ছিলেন একজন খ্যাতিমান আলেম ও বুজুর্গ, যার নাম শাহ মেহেরুজ্জামান ইসলামাবাদী। কারী ওবায়দুল্লাহ ৭৩ বছরের হায়াতে নিজেকে প্রথম মেলে ধরার সুযোগ পেয়েছেন ১৮ বছর বয়সে। তখন এ দেশে রেডিও ছিল একমাত্র প্রভাবক গণমাধ্যম। ঢাকার রেডিও অফিস ছিল নাজিমুদ্দিন রোডে। সেখানেই তিনি প্রথম কুরআন তিলাওয়াত করেন। তারপর কিংবদন্তি হয়ে ওঠার ইতিহাস অনেক বর্ণাঢ্য। পৃথিবীর কম করে হলেও ২৫টি দেশে আন্তর্জাতিক পরিসরে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। এর কোনোটি ছিল প্রতিযোগিতা, কোনোটি ছিল অতিথি তিলাওয়াতকারীর অনুষ্ঠান। এভাবে বহুবার তিনি যশখ্যাতি অর্জন করেছেন। পুরস্কৃত হয়েছেন অসংখ্যবার।
কারী ওবায়দুল্লাহর তিলাওয়াত মানে মন্ত্রমুগ্ধের মতো শোনার বিষয়। বিশুদ্ধ উচ্চারণে এতটা বৈয়াকরণসিদ্ধ তিলাওয়াত অনেকেই করতে পারেন না। তার গলা যে কুরআনি সুর তুলত, সেটি ছিল ব্যতিক্রম ও অনন্য। শব্দতরঙ্গে ভেসে বেড়ানো সেই সুমধুর সুরের মূর্ছনায় যেকোনো বিশ্বাসী মনে কুরআনের বাড়তি আবেদন জাগিয়ে দিত। এ যেন স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দান।
আমাদের জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশন থেকে নবম অধিবেশন পর্যন্ত কারী মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ তিলাওয়াত করার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। ১৯৬৪ সালে ঢাকায় তদানীন্তন পাকিস্তান টেলিভিশন যাত্রা শুরু করলে শেষ দিন পর্যন্ত ব্যতিক্রম ছাড়া তিনিই কুরআন তিলাওয়াত করেছেন। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের উদ্বোধনী অধিবেশন শুরু হয়েছিল তারই সুললিত কণ্ঠের তিলাওয়াতের মাধ্যমে। স্বাধীনতার পর পরই হঠাৎ রেডিওতে কুরআন তিলাওয়াত বন্ধ করা হলো। তবে বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরার পর বাংলাদেশ বেতারেও প্রথম তিলাওয়াত করেছিলেন তিনি। সেদিন সূরা বাকারার শুরু থেকে আলিফ লাম মিম যালিকাল কিতাবু লা রাইবা…। তিলাওয়াত করেছিলেন- যার অর্থ হলো- এটি সেই কিতাব যার মধ্যে কোনো সংশয় নেই…। যদ্দুর জানি কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, নিউমার্কেট, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল শেরাটনের উদ্বোধন হয়েছিল তার সুমধুর তিলাওয়াত দিয়ে। ফুলবাড়িয়া থেকে কমলাপুরে রেলস্টেশন স্থানান্তর ছিল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। একইভাবে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ছিল পূর্ববাংলার প্রথম ফাইভ স্টার হোটেল, যা পরে হলো শেরাটন। এ ছাড়া আরো অনেক নতুন স্থাপনার উদ্বোধনে তার তিলাওয়াতই ছিল প্রত্যাশিত।
বঙ্গবন্ধু ও জিয়াউর রহমানই শুধু তার তিলাওয়াতের ভক্ত ছিলেন না, সৌদি বাদশাহদের মধ্যে প্রভাবশালী অন্তত দু’জন তাকে বেশ পছন্দ করতেন। বাদশাহ ফয়সাল ও বাদশাহ খালেদ দুইবার তাকে সম্মাননা দিয়েছেন বলে জানি। কারী পরিবারের ও আমাদের সুহৃদ কারী আজিজুল হকের একটি লেখায়ও এর সাক্ষ্য পেয়েছি। আরো জেনেছি, বঙ্গবন্ধু তার তিলাওয়াতের টানে চকবাজার শাহী মসজিদে গিয়েছেন। জিয়াউর রহমান তার কাছে বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের সবক নিয়েছেন। মাঝে মধ্যে বঙ্গভবনে ডেকে এনে তার তিলাওয়াত শুনতেন। জেনারেল জিয়া প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর প্রথম বেতনের টাকাটাও নাকি তাকে হজে পাঠানোর জন্য খরচ করেছিলেন।
বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের হৃদয়কন্দরে স্থান পাওয়া এ মানুষটি দীর্ঘ দিন ধরে দুঃসহ রোগ-যাতনা ভোগ করেছেন। শেষ জীবনে অনেকের দৃষ্টির আড়ালে চলে গিয়েছিলেন। স্ত্রী, দুই ছেলে ও ছয় মেয়ের মধ্যে সবাই তার জন্য ছদকায়ে জারিয়া হয়ে আছেন।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তাকে পুরান ঢাকায় এক খণ্ড বসতির জায়গা বরাদ্দ দিয়েছিল সরকার। চকবাজার শাহী মসজিদের স্বনামধন্য খতিব হিসেবে তিনি এটি দীর্ঘ দিন ভোগদখল করলেও শেষ পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে, এই বরাতে তাকে ভিটেছাড়া করা হয়। এটিও জানি, গণপূর্ত মন্ত্রণালয় তাকে ভিটে থেকে উচ্ছেদ করলেও চকবাজার শাহী মসজিদ কর্তৃপক্ষ কখনো তার সম্মানী বন্ধ করেনি। অবশ্য তিনি অনেক আগেই খতিবের পদ শারীরিক অসুস্থতার কারণে ছেড়ে দিয়েছিলেন।
আমাদের জানা মতে, তার কোনো রাজনৈতিক পরিচয় ছিল না। একজন কারী, মাদরাসাশিক্ষক এবং ওয়ায়েজ হিসেবেই তাকে সবাই চিনতেন, জানতেন। তবে তার জীবনে হাফেজ্জী হুজুর ও শায়খুল হাদিসের বিরাট প্রভাব ছিল। তারা শুধু তার ওস্তাদই ছিলেন না, ছিলেন অভিভাবক এবং রাহবার বা পথপ্রদর্শক। তার কোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ছিল না। দ্বীনদার মানুষ হিসেবে সব দল-মত ও ধর্মের মানুষ তাকে জানতেন কল্যাণকামী হিসেবে। তার কথ্যভাষায় পুরান ঢাকার প্রভাব থাকলেও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার কোনো ‘টান’ ছিল না। তিনি নিজে শিক্ষানুরাগী ছিলেন, মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন। মাদরাসার পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। সুযোগ মতো মাদরাসা-মক্তবে দান-সদকা করেছেন। নিজে কোনো দান নেননি বলেই জানান, তবে হাদিয়া নেয়াকে রাসূল সা:-এর সুন্নাহর অনুসরণ মনে করতেন। হাফেজ্জী হুজুর জাতিকে ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন। কালেমা উচ্চারণকারীদের ফেরকা ভুলে এক কাতারে দাঁড়াতে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলতেন- ‘এক হও, নেক হও’। কারী ওবায়দুল্লাহ প্রায়ই এ ক’টি শব্দ উচ্চারণ করতেন। ক্ষমতার প্রভাববলয়ে থেকেও কারী ওবায়দুল্লাহ কখনো ‘দরবারি’ হয়ে যাননি। সব যুগে সব সরকারের সাথে কিছু ‘আলেম’ দরবারি হয়ে আশ্রয় নেন, প্রশ্রয় পান ও মোসাহেবি করেন। দরবারি ধারায় ভূমিকা পালন করেন। কারী ওবায়দুল্লাহ ছিলেন এসব ধারণার অনেক ঊর্ধ্বে।
সহজ-সরল ও সাদা মনের এ মানুষটি এতটাই নিরহঙ্কারী ছিলেন- যা সচরাচর দেখা যায় না। বিভিন্ন ইস্যুতে তাকে একান্তে পেয়েছি। মিশন স্মারকের জন্য একটা বাণী চাইলে তিনি হেসে কুটি কুটি হয়ে বলেছিলেন- ‘আমার আবার বাণী।’ তবে মুসলিম উম্মাহর স্বার্থ এবং জাতির স্বার্থে তিনি ছিলেন আপসহীন। তার প্রতি অনেকেই জীবদ্দশায় কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। অসংখ্য ভক্তের মুনাজাতের হাত তার জন্য তোলা আছে। আরশের প্রভুর কাছে আমাদের মিনতি- হে দয়াময় রহমান রহিম, তিনি ছিলেন তোমার কিতাবের অনুরাগী। দুনিয়ার জীবনে তাকে তুমি সম্মানিত করেছ। যশখ্যাতি দিয়েছ। আবার বারবার রোগ-শোকে কাতর করে পরীক্ষাও নিয়েছ। আদালতে-আখেরাতে তাকে তোমার পছন্দমতো সম্মানিত করো।
masud2151@gmail.com

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরও দেখুন...

Close
Close