অর্থনীতিইসলামী ব্যাংকিংব্রেকিংস্লাইডার

ইসলামী ব্যাংকের আমানত বেড়েছে ৭,২৪৪ কোটি টাকা

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের (আইবিবিএল) চেয়ারম্যান আরাস্তু খান বলেছেন, গত এক বছরে বিভিন্ন অস্থিরতায় ভালো অগ্রগতি হয়েছে। তিনি বলেন, ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৫ হাজার ১৩০ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় সাত হাজার ২৪৪ কোটি টাকা বেশি। গতকাল ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। বর্তমান ম্যানেজমেন্টের এক বছরের কর্মকাণ্ডে ব্যাংকের এখনকার অবস্থান তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ড. মো. জিল্লুর রহমান, ডাইরেক্টর মো. সাইফুল ইসলাম, এফসিএ, এফসিএমএ, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী মো. আবদুল হামিদ মিঞা, এডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব-উল-আলম, ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন।
ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে এক বছর পার করা আরাস্তু খান বলেন, আমরা সব কিছুকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি। গত এক বছরে ইসলামী ব্যাংকের ডিপোজিট ও পরিচালন মুনাফায় বড় সাফল্য এসেছে।
এ সময়ে ব্যাংক বিনিয়োগ ১৩.৭০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ১০০ কোটি টাকা। তবে নিট বিনিয়োগ হয়েছে ৬৫ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা। এখন ব্যাংকটির ঋণ-আমানত অনুপাত বা এডি রেশিও ৮৭.৮০ শতাংশ। নন পারফর্মিং লোনের (এনপিএল) হার কমে দাঁড়িয়েছে ৩.৫৭ শতাংশে। যা গত বছরে ছিল ৩.৮৩ শতাংশ। গ্রাহক সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই কোটি ২৫ লাখ। আরাস্তু খান জানান, ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংক আমদানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স আহরণ বাণিজ্য করেছে যথাক্রমে ৩৮ হাজার ৫০০ কোটি, ২৪ হাজার কোটি এবং ২৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ মিয়া বলেন, ইসলামী ব্যাংকে কখনো তারল্য সংকট থাকবে না। আমাদের ঋণ-আমানত অনুপাত বা এডি রেশিও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close